Health

কোমর ব্যথার কারন এবং কোমর ব্যথার ১০ টি টিপস

হেলো বন্ধুরা আপনাকে স্বাগতম আমার এই স্বাস্থ্য বিষয়ক সাইটে। আজ আমি যে টপিক নিয়ে আলচনা করব তা হল কোমর ব্যথার কারন।ও তা কীভাবে দূর করা যায় তার কিছু নিয়ম কানুন।

আমরা সকলেই জানি সারা পৃথিবীতে প্রায় 90% এরও বেশি মানুষ এই কোমর ব্যথায় আক্রান্ত কেননা হালকা ভারি কাজের ফলে এই রোগটা দেখা দেয়। এবং কি ভিবিন্ন খেলার মাধ্যমেই এই ইনজুরি হতে পারে। তাই আমরা এই বিষয় নিয়ে কিছু টিপস আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম। আসুন যেনে নেওয়া যাক কোমর ব্যথার ১০টি টিপস।

১. কমোর অনেক শক্তিশালী

আসলে আমরা অনেকেই ধারণা করি যে আমাদের কোমর অনেক দুর্বল কিন্তু তা না। কেননা আমাদের কোমরের যে পেশী ধাঁরা আছে তার সহ্য ধারন ক্ষমতা অনেক বেশী। কিন্তু আমাদের কিছু কিছু সময় হালকা ভারী কাজ করার ফলেয় কমরে  কিছু টান লাগে। যার ফলে আমরা বলি যে কোমরের কি জানি কি হয়ে গেল এই ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল। কেননা আমদের ডক্টরের ভাষায় এইটাকে ইস্ট্রেন বলা হয়। বা লিগারমেন্টে টান লাগা বা ইনজুরি হওয়ার ফলে হালকা পেইন হয় যার ফলে আমরা ধারনা করি কি জানি হয়ে গেল। কিন্তু বিষয়টা তানা এর থেকেও প্রচন্ড শক্তিশালী আমাদের কোমর তো কিছু চিন্তা করার কারন নাই।

২. এক্সরে এম আর আই কেন করব না

সাদারন ভাবে আমরা অল্প কিছু হলেই ভয় পেয়ে জাই কারন আমরা আমদের শরীর কে খুব ভালোবাসি। যার কারন কিছু হলে অতি সিগ্রি ডাক্তার এর কাছে ছুটে জাই।কিন্ত সকল সময় ডক্টর আমদের থিক চিকিৎসা করতে পারে না।ঠিক তেমনি এক্সরে এম আর আই ও সকল সময় ঠিক রেজাল্ট দিতে পারে না। কেননা আমরা কোমরে হালকা ইনজুরি হলে এক্সরে এম আর আই করে থাকি যার ফলে ধেখা যায় তা বড় করে দেখায় ফলে আমরা বিব্রান্ত হয়ে পরি।তাই আমাদের এত জলদি তা করা ঠিক নয় আমদের এয় হালকা ইনজুরি ভিবিন্ন ব্যায়াম এর মাধ্যমেই সমসসার সমদান হতে পারে। হুম এটা ঠিক যে বড় কিছু সমস্যা হলে ডক্টরের সাহায্যে চিকিৎসা করাতে পারেন। কিন্তু  ছুট খাটো সমসসার মূল ইহোল ব্যায়াম।যার কারনে আমদের শরীর এর সব দিক সুন্দরভাবে আয়ত্তে রাখা যায়।

৩. বেদ রেস্ট পরিহার

সাদারন আমরা জানি যে আমদের  বেড রেস্ট এর মধ্য থাকলে আমাদের যে পেইন আছে তা চলে যাবে। কিন্তু তা না আমাদের যে বেক পেইন বা কোমর ব্যথা তা বেদ রেস্ট করলে ভাল হয় না উল্টো আর বিদ্ধি পেতে পারে। কাননা ডক্টরদের কথা মতে অতিরিক্ত বেড রেস্টের ফলে বেক পেইন ঠিক হয় না।সাদারন বেড রেস্ট পরিহার করে নিয়মিত হাটা হাটি করা হালকা ব্যায়াম করা বেক পেইনেরে জন্য অত্যেন্ত জরুরী।তাহলে দেখা যাবে যে কিছু মাসের মধ্য আপনার বেক পেইন আস্তে আস্তে কম হয়ে যাবে। তাই বেড রেস্ট পরিহার করাই আমদের জন্য উত্তম।

৪. এক্সারসাইজ

আমরা সকলেই জানি যে মানবদেহের জন্য ব্যায়াম কতটা প্রয়োজন।কেননা ব্যায়াম মানবদেহের সকল অঙ্গ পতঙ্গর জন্য খুব উপকার।আমরা সকলেই জানি সকালের ব্যায়াম সকল মানুষের জন্য খুবী উপকারি। তাই মানবদেহের জন্য ব্যায়াম বা এক্সারসাইজ সকল রোগের মূল মেডিসিন।আর বেক পেইনের জন্য খুব উপকারি। তাই সর্বদাই মানবদেহের জন্য ব্যায়াম  বা এক্সারসাইজ খুবী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৫. ব্যথার মেডিসিন কম খাওয়া

কারন আমরাজানি পেইন কিলার বা মেডিসিন খাই আমদের পেইন দূর করার জন্য। কিন্ত তা কিছু সময়ের জন্য পেইন দূরকরে ঠিকি কিন্তু তা মানুষের পাকস্থলী প্রজন্ড ভাবে ক্ষতি করে।যার ফলে পাকস্থলী ও তার আসেপাসে ক্ষতি হয়ার সম্ববনা বিদ্ধি পেতে থাকে। এবং বেক পেইন এর জন্য মানুষ সর্বদা একটু বেশি মেডিসিন নিয়ে থাকে।যার ফলে অল্প সময়ের জন্য শান্তি পেলেও পরে তা মানবদেহে অনেক ক্ষতি করে থাকে।তাই সকল কেই ব্যথার মেডিসিন পরিহার করার জন্য বিসেসেভাবে অনুরদ করা হোল।

6. ভাল ঘুম

আমরা সকলেই জানি ঘুম মানবদেহের ক্লান্তি দূর করে।সাদারন যখন মানুষ কাজ করে তখন তাদের ক্লাত মনে হয় এবং তা দূর হয় ঘুমের মাদ্ধমেই।আর একটি মানুষ নিম্নে ৬ঘন্টা ঘুমান প্রয়োজন হয়।যার ফলে মানবদেহে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায় আবার সে সুস্থ ভাবে এবং মনোযোগ সহকারে কাজ করতে পারে। এবং ভাল ঘুম মানবদেহে অনেক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও বিদ্ধি করে। তাই সকল মানুষ এর জন্য নিম্নে ৬ঘন্টা ঘুমান অত্যেন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৭. মনকে সক্ত রাখুন

এখানে মনকে সক্ত রাখার কারন হোল যখন মানুষ অসুস্থ হয়ে পরে তখন তার মন দুর্বল হয়ে পরে তাই তখন মনকে সক্ত রাখা খুবী প্রয়োজন।সাদারনভাবে একজন মানুষের মনের জোর সকল বিপদ আপদ থেখে রক্ষা পেতে খুবী সাহায্য করে থাকে। এবং কি যখন মানবদেহে বড় কুনো রোগ হয় তখন মেডিসিন তো লাগে তার পাশাপাশি মনকে সক্ত রাখা অত্যেন্ত প্রয়োজন। যার ফলে দেখা যাবে কি আপনার যে বেক পেইন নিয়ে আপনি খুব যন্ত্রণায় ভুকছেন তা আস্তে আস্তে কম হচ্ছে। কারন কথায় আছে মানুষ মনের জুরে অনেক না পারার কাজও সফল ভাবে করতে সক্ষম হন।তাই সকল ক্ষেত্রে মন সক্ত রাখা প্রত্যেকটা মানুষের জন্য খুবী গুরুত্বপূর্ণ।

৮. ডেমেজ ছাড়াই ব্যথা হতে পারে

আমরা সাদারন ভারি কাজ করলে বা ঘুমানোর সময়  হালকা অন্য ভাবে সুয়ার ক্ষেত্রে আমাদের এই বেক পেইন হতে পারে।কাননা এই গুলোর ফলে আমাদের কোমর এর ওপর হালকা টান লাগে যার ফলে মাসালে হালকা ইস্ট্রেন হয় বা লিগারমেন্টে টান লাগা বা ইনজুরি হওয়ার ফলে হালকা বেক পেইন হতেই পারে। যার  ফলে আমাদের এমন কিছু ভাবা দরকার নাই যে আমাদের কোমর ডেমেজ হয়ে গেছে। তাই এইগুলোর ক্ষেত্রে এমন  কিছু ভাবা দরকার নাই এই সব পেইন অল্প কিছু দিনের বিতরে ভাল হয়ে যাবে তো এই গুলো নিয়ে এতটা চিন্তা করার কুনো প্রয়োজন নাই।

৯. নড়াচড়ায় ভয় পাবেন না

আমাদের কোমর ব্যথার কারনে আমরা নড়াচড়া করতে ভয় পাই কিন্তু এয় ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল।কেননা বেক পেইন হলে স্বাভাবিক ভাবে নড়াচড়া করা যায়। কিন্তু তা বলে এই না যে আপনে সামনের দিকে জুকে কুনো ভারি বস্তু তুলুন তাহলে বেক পেইন আর বিদ্ধি পেতে পারে। কেননা বেক পেইন হলে ভারি বস্তু উত্তলন করা সম্পূর্ণ ভাবে নিসেদ। আর এমনি সকল ধরনের কাজ হাটা চলা ইত্যাদি সকল কিছুই করতে পারবেন এতে আপনার বেক পেইনে কুনো ধরণের সমস্যা হবে না। তাই নড়াচড়ায় ভয় পাউয়ার কুনো কারনি নেই।

১০. সার্জারির প্রয়োজনটা কম

আমরা সকলেই জানি সার্জারি তখন করা হয় যখন অনেক ক্রিটিকাল বা খারাপ অবস্তা হয়ে জায়।আর এইরকম খুব কম মানুষেরি হয়।কেননা তাদের সার্জারি করানো হয় জাদের বেক পেইন এর জন্য প্রসাব পায়খানা ধরে রাখার মত শক্তি পায় না।কেননা বেক পেইন ফলে অর্গানে বা আপনার বেক বাটকে সমস্যা হয় যার ফলে মল মুত্র অতি সহজে ত্যাগ হয়ে যায়।কিন্তু এই বলে তা না যে আপনার সার্জারি করতে হবে ভাল কুনো ডক্তর এর সাহায্যে আপনি সার্জারি সারা ও ঠিক হতে পারেন।কিন্তু দেখা গেল কি আপনি হালকা সমস্যার কারনে আপনি সার্জারি করে নিলেন।ফলে এতে দেখা যাবে কি আপনার সার্জারির কারনে টাকাও নষ্ট হোল শরীরের ওপর অনেক চাপ প্রয়োগ হোল।তাই সকলকেই বিনিত অনুরদ করে বলা হচ্ছে অল্পতে সার্জারি করা স্বাস্থ্যের জন্য একি বারি ঠিক নয়।

***আসা করি সকলেই ভালবাবে বুজেছেন কোমর ব্যথা হলে তা দুরিকরনের জন্য কি কি উপকরন বা পদক্ষেপ নিতে হবে।***

Leave a Reply