Weight Loss

অতিরিক্ত মেদ কমানোর ৬টি সহজ নিয়ম

হেলো বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি ভালো। আজ আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কিভাবে পেটের মেদ কমানো যায় এবং মেদ কমানোর ৬ টি কার্যকরি উপায়। এখন একটি কথা আমি আগেই বলে দেই যে আপনার যদি সিরিয়াস কোন সমস্যা থাকে তাহলে অবশ্যই একজন ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন। যে আপনি কোন ধরনের ব্যয়াম করবেন করবেন এবং আপনার জন্য কোন ধরনের ডায়েট প্রজয্য ইত্যাদি।

প্রথমত হচ্ছে আমরা সবাই পেটের মেদ এর সমস্যার কথা কম বেশি সবাই জানি। এটি আমাদের অনেক সমস্যা করে এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্যে মোটেও ভালো নয়। এই পেটের মেদ এর জন্য আমাদের হার্ট এটাক, স্ট্রোক, টাইপ ২ ডায়বেটিস, ক্যান্সার আরো ভিবিন্ন ধরনের রোগ হয়ে থাকে। এখন আপনি যদি অল্প একটুও কমাতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনি অনেক কিছু অর্জন করেছেন। তাই আমাদের কি কি করা দরকার অতিরিক্ত মেদের থেকে যদি রক্ষা পেতে চাই।

পেটের মেদ কমানোর ৬ টি উপায়ঃ

১. মিষ্টি ও কোমল পানীয় বর্জন

আমরা অনেকে জানি যে মিষ্টিতে ১/২ থাকে গ্লুকোজ এবং ১/২ থাকে ফ্রুক্টোস। এই ফ্রোক্টোস টা হচ্ছে আমরা যখন মিষ্টি খাই তখন এই ফ্রোক্টোস টা লিভার এ গিয়ে ভাঙ্গে। ভেঙ্গে আমাদের দেহের জন্য শক্তি উৎপাদন করে। এখন আপনি যদি অতিরিক্ত পরিমানে মিষ্টি খান তাহলে কিন্তু লিভার তার নির্দিষ্ট পরিমানের চেয়ে বেশি বিপাক করতে পারতেছে না। সোজা কথা সে ভাঙ্গতে পারছে না। এখন এখানে বিষয় হচ্ছে এই অতিরিক্ত মিষ্টি টি আপনার দেহের ফ্যাট হিসেবে জমা হয়। এখানে বুজা যাচ্ছে যে সুগার এই ফ্যাট এর মুল কারন। তাই যদি আমরা আমাদের মেদ কমাতে চাই তাহলে সুগার টা অবশ্যই কম খেতে হবে। ঠিক একই রকম ভাবে আমরা বাজারে যে সফট ড্রিংক খাই এটাতেও প্রচুর পরিমানে সুগার থাকে। এই গুলো খাওয়াও আমাদের বর্জন করতে হবে যদি আমরা নিজেদের ফ্যাট বা মেদ কমাতে চাই।

২. এক্সারসাইজ

দ্বিতীয় তে রয়েছে এক্সারসাইজ। আমাদের মেদ কমানোর জন্য এক্সারসাইজ খুবই গুরুত্বপুর্ন। আপনি যদি এক্সারসাইজ করে আপনার মেদ কমাতে চান তাহলে আপনাকে সর্ব নিম্ন ২০ মিনিট করতে হবে। আপনি চাইলে ২০ মিনিট হাটতে পারেন। সর্ব নিম্ন আপনাকে ২০ মিনিট হাটতে হবে এর উপরে উঠলে আপনার ভালো কিন্তু নিচে নামবেন না। এখন আপনি বলতে পারেন যে আমি অফিসে চাকরি করি আমার সময় নেই ব্যয়াম করার। তাদের কে বলি যে বেচে থাকতে হলে আপনাকে অবশ্যই এক্সারসাইজ করতে হবে। আপনার জিবনে সময় সবচেয়ে মুল্যবান হতে পারে না। সমইয়ের চেয়ে আপনার স্বাস্থ্য মুল্যবান। আপনাকে একটা সোজা টিপস দেই আপনি ২ মিনিট জগিং করবেন এরপর ১ মিনিট হাটবেন নরমাল হাটা এর পর আবার ২ মিনিট জোরে জোরে হাটবেন আবার ১ মিনিট নরমাল হাটা এভাবে আপনাকে ২০ মিনিট হাটতে হবে।

৩. পর্যাপ্ত পরিমান আমিষ খেতে হবে

আপনি যদি পর্যাপ্ত পরিমান আমিষ খান তাহলে আপনার খুদা লাগবে কম আর যদি খুদা কম লাগে তাহলে কার্বহাইর্ডেদ টা খাবেন কম ফলে ক্যালরিটাও আপনার শরিলে ডুকতেছে কম। ফলে আপনার ওজনটাও কিন্তু কমতেছে। এখন যদি আপনি আপনার ওজন টা কমাতে চান তাহলে সব সময় পর্যাপ্ত পরিমান আমিষ খেতে হবে। আমিষ যুক্ত খাবার আমরা সবাই জানি যেমনঃ মাছ, ডাল, মুরগির মাংষ ইত্যাদি। এগুলা আপনি খেতে পারেন।

৪. শর্করা জাতীয়া খাবার কমানো

আপনার শরিলে যতটুকু ক্যালরি  প্রয়োজন তার চেয়ে যদি বেশি খান তাহলে আপনার ওজন বাড়বে। আর আপনার শরিলে যতটুকু ক্যালরি প্রয়োজন তার চেয়ে যদি কম খান তাহলে ওজন কমবে। তাই আপনি যদি শর্করা জাতীয় খাবার কম খান তাহলে আপনার ওজন কমবে। তাই সর্বদা চেষ্টা করুন ক্যালরি যুক্ত খাবার খাওয়ার।

৫. আশ জাতীয় খাবার খাওয়া

আশ জাতীয় খাবার বলতে পারি যেটা ফাইবার। ফাইবার আমাদের দেহে ওজন কমাতে সাহায্য করে। সবুজ যে শাকসবজি বা ফ্রেস ফল এগুলোতে ফাইবার থাকে । আপনি এই গুলো খেতে পারেন।

৬. পর্যাপ্ত পানি পান করা

পানি আমাদের দেহের জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ন। আপনি হয়ত ৭ দিন খাবার না খেয়ে থাকতে পারবেন কিন্তু ৩ দিন পানি পান না করে  থাকতে পারবেন না। আপনাকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ লিটার পানি পান করা উচিত। এখন আপনি ভাবতে পারেন যে পানি পান করলে আপনার কিভাবে ওজন কমবে। আসলে আপনি যদি পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করেন তাহলে শক্তি ব্যয় টা বেরে যাবে। কেনো বেরে যাবে কারন সেই এবিলিটিটা সে বাড়িয়ে দিবে। তখন আপনি বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে পারেন এবং আপনার শরীল থেকে বেশি ক্যালরি বার্ন হবে ফলে আপনার ওজন কমবে। এর পর যদি আপনি খাওয়ার আগে পানি পান করেন তাহলে আপনার মনে হবে কি আপনার স্টোমাচ টা পুর্ন হয়ে আছে ফলে আপনি খাবার কম খাবেন। ফলে এতে আপনার ওজন।

আশা করি আপনি আমার কথা গুলো বুঝতে পারছনে। যদি আরো পরামর্শ চান তাহলে আমাকে মেসেজ করুন আর যদি পোস্টি ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। আমাদের হেলথএলাক্স এর সাথেই থাকুন ধন্যবাদ।

Photo By: Pixabay

Leave a Reply