Health

ধুমপান করলে কি কি ক্ষতি হয় এবং এর পরিহারের নিয়ম

সবাইকে স্বাগতম আমাদের এই স্বাস্থ সম্পর্কিত সাইটে। আমি আজকে যে টপিক নিয়ে আলোচনা করব তা হল ধূমপান। সকলে অবগত আছেন যে আমাদের এই সমাজে ধূমপান এখন একটি ফ্যাশন হয়ে পড়েছে। কেননা এই সমাজে দশ বছরের বাচ্চারা ও এখন ধূমপান এ আশক্ত হয়ে পরেছে।কিন্তু সাধারন ভাবে আমাদের সকলের জানা রয়েছে যে ধূমপান করা আমাদের দেহের জন্য কতোটা ক্ষতিকর।

কারন ধূমপান মানবদেহের সকল অঙ্গ পতঙ্গের জন্য খুব ক্ষতিকারক একটি দ্রব্য।কেননা যারা ধূমপান করে তাদের শরীর অল্প বয়সে নিস্তেজ হয়ে যায়। তাই সাধারন্ত মানবদেহ সুস্থ রাখার জন্য ধূমপান ত্যাগ করা অত্যন্ত জরুরী।তাই আসুন আমরা ধূমপান  সম্পর্কে কিছু  জেনে নেই।

আমাদের এই মহা জগতে প্রায় সারে সাত বিলিয়ন মানুষ বসবাস করি। যাদের ভিতরে প্রায় তিন বিলিয়ন এর বেশি ধূমপান দ্রব্য এর সাথে জরিত। কেননা আমি আগেই বলেছি ধূমপান হল একটি ফ্যাশন।কিন্তু এই ধূমপান এর ফলে সারা জগতে প্রায় চল্লিশ লক্ষ এর বেসি মানুষ প্রান হারায়।কেননা ধূমপান এর ফলে মানব দেহে নানান রোগ জন্মায়।যার মূল কারন হোল নিকোটিন জাতীও বিষ যা মানব দেহের জন্য অনেক ক্ষতিকর একটা পদার্থ।কিন্তু আমরা কতটা বোকা ধূমপান মানব দেহের জন্য কতটা ক্ষতিকর  তা জানা সত্ত্বেও আমরা ধূমপান করে থাকি।

ধুমপানের ক্ষতিকর দিকঃ

ধূমপান করার ফলে আমাদের শরীরের মাথার চুলের গুরা হতে পায়ের নখ পর্যন্ত রোগের দেখা দেয়।কারন ধূমপান এর বিতর যেই নিকোটিন বিষ তা মানব দেহে স্লো পয়জন এর মত কাজ করে।তাই এর ফলে মানব দেহে অনেক রোগ সৃষ্টি হয়।তার বিতর কিছু অন্যতম রোগ হচ্ছে ফুসফুস ক্যান্সার,হৃদরোগ,ঠোট কালো হয়ে যাওয়া,এবং কি রক্ত ও নষ্ট হয়ে যায়। অহ’’’সবচেয়ে গুরত্তপূর্ণ রোগ যেইটা তা হোল অল্প বছরের মধ্যই সেক্স জনিত রোগে আসক্ত হওয়া।

ধূমপান ফলে খাবার হজম শক্তি কমে যায় এবং আপনার পায়খানা কসা হয়ে যায়। যে কারনে মল দ্বারের রাস্তায় অর্শ বা গেজ নামক এই খারাপ রোগটা দেখা দেয়।তাই যারা ধূমপান এ আশক্ত তাদের অতি সিগ্রই তা ত্যাগ করা অত্যন্ত জরুরী।কেননা আমরা যদি আমাদের নিজের ভাল না বুজি তাহলে কার কিছু করার নাই।তাই আমি বিনিত ভাবে অনুরদ করে বলছি যারা ধূমপান করেন তারা অতি সিগ্রই তা ত্যেগ করার জন্য চেষ্টা করুন।

ধুমপান পরিহারের উপায়ঃ

ধূমপান হতে মুক্তি পাউয়ার জন্য আমাদের কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। প্রথমত আমারা যারা ধূমপান করি তাদের আত্মবিশ্বাস থাকা দরকার যে যেই ভাবে হক না কেন আমাদের ধূমপান ত্যাগ করতেই হবে।এবং এই ধূমপান হইতে বিরত থাকার জন্য কিছু নিয়ম কানুন অনুসরণ করতে হবে। সর্বপ্রথম আমাদের প্রায় ১৫থেকে২০ দিন কাঁচা পেঁয়াজ এর রস ২৫গ্রাম করে প্রত্যেক দিন সকালে খালি পেটে খেতে হবে।তাহলে আপনারা  লক্ষ করবেন কিছু  দিনের  মধ্যেই আপনাদের ধুমপান করতে আর ভাল লাখছে না। কেমন জানি বিষাক্ত লাগছে তার স্বাদ,সত্যি কথা বলতে খেতেই ইচ্ছে করবে না।

ধুমপান পরিহারের ফলঃ

আসুন এখন ধূমপান ত্যাগের ফলে আমাদের শরীরে কি কি পরিবর্তন হবে তা যেনে নেই।আপনি শেষ সিগারেট ত্যাগ করার পর তার ২০মিনিটের মধ্যে আপনার শরীরের হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়ে আসে। ও ১০-১২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার শরীর হতে কার্বন মনোক্সাইড ধীরে ধীরে বের হয়ে যায়।এবং দুই মাসের মধ্যে শরীরের রক্তচাপ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে ফুসফুস আগের তুলনায় ৩০ভাগ অক্সিজেন বেশী গ্রহন করতে পারে। তারপর এক বছরের মধ্যে ধূমাপান করার ইচ্ছাটি সম্পূর্ণ চলে যাবে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে এবং শারীরিক কার্যক্ষমতা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।আর ৫বছরের মধ্যে ধূমপানের কারনে হৃদরোগ,স্ট্রোক,ফুস্ফুসের রোগ,হার্টফেল এর মত রোগের সম্ভাবনা কমে যাবে।এবং তা যদি অতিবাহিত হয়ে ১০বছরের মত হয় তাহলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা কমে যায়।ও হৃদরোগের সম্ভবনা কমে অধূম্পাইদের সমান হয়ে যাবে।

আশা করি সকলেই বুজতে পেরেছেন ধূমপান এর ফলে আমাদের শরীরে কি কি রোগ হয়। এবং ধূমপান ত্যাগ করার জন্য সহজ কিছু নিয়ম কানুন।ও তা ছাড়ার পর আমাদের শরীরে কি কি পরিবর্তন। তো সকলকেই বিনিতভাবে অনুরদ করে বলছি যারা ধূমপানে আসক্ত অতি সিগ্রই ত্যাগ করার জন্য চেষ্টা করুন।তাহলে দেকবেন অল্প কিছু দিনের মধ্য আপনার জীবনটা পরিবর্তন হয়ে গেছে।এই বলে শেষ করছি ধূমপান হোল ক্যান্সার এর কারন।

Leave a Reply